ভরা মৌসুমেও নাগালের বাইরে ইলিশ, মঠবাড়িয়ার গরুর মাংসের চেয়েও মাছের দাম বেশি

বাংলাদেশ বার্তা টুডে ডেস্ক

প্রকাশ: ২০ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৪ পিএম

সালমান আহসান বাবু, মঠবাড়িয়া সংবাদাতা:

আষাঢ়-শ্রাবণের বর্ষায় উপকূলীয় নদী ও সাগরে ইলিশের দেখা মেলার কথা থাকলেও পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার মাছের বাজারে বিপরীত চিত্র। বাজারে মাছের যোগান খুবই সীমিত। দু-চারটি রুপালি ইলিশ সারিবদ্ধভাবে সাজানো থাকলেও হাঁকা হচ্ছে আকাশছোঁয়া দাম। ফলে বিক্রেতার হাকডাক শুনে দরদাম করলেও খালি হাতেই বাড়ি ফিরতে হচ্ছে বেশিরভাগ ক্রেতাকে।

উপজেলার তুষখালী, সাপলেজা ও বড় মাছুয়া বাজার সহ শহরের দক্ষিণ বন্দর মাছ বাজার পরিদর্শনে দেখা যায়, বাজারে ইলিশ মিললেও চড়া দামের কারণে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তের জন্য তা একেবারেই অসাধ্য হয়ে উঠেছে। ৪৫০ থেকে ৬০০ গ্রাম ওজনের ছোট ইলিশ প্রতি কেজি ১ হাজার থেকে দেড় হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ৭০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের আঠারো থেকে ২ হাজার টাকা এবং এক কেজি বা তার বেশি ওজনের বড় ইলিশ বিক্রি হচ্ছে দুই থেকে নয় হাজার টাকা দরে। শুধু ইলিশেই সীমাবদ্ধ নেই দাম। অন্যান্য মাছের বাজারেও একই হাঁসফাঁস অবস্থা। তপসী মাছ বিক্রি হচ্ছে ১,০০০ থেকে ১,২০০ টাকা কেজি দরে, পোয়া ৪০০ টাকা,চিংড়ি ১৭০০ টাকা, পাঙ্গাস ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা এবং অণ্যান্য সামুদ্রিক মাছ ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। 

দক্ষিণ বন্দর বাজারে কেনাকাটা করতে আসা হোসেন আলী রাব্বি বলেন, "ইলিশ কিনতে এসে দর শুনে বাধ্য হয়ে ফিরে যাচ্ছি। সংসারের অন্য খরচ সামলে এত চড়া দামে মাছ কেনা সম্ভব নয়। তপসী মাছের দাম চেয়েছে ১২০০ টাকা। এখন গরুর মাংসের চেয়েও মাছের দাম বেশি!"

মাছ ক্রেতা শাকিল আহমেদ বলেন, বাসায় ছোট ছোট দুই মেয়ে আছে। তারা মাছ ছাড়া ভাত ক্ষেতেই চায়না। মাছের এত দাম! ভাল কোন মাছ কিনতেই পারছি না। বাধ্য গয়ে রোজ রোজ পাঙ্গাস কিনে বাড়ি যাই। 

মৎস আড়তের আড়ৎদার মোস্তফা জানান, বর্ষা মৌসুমে মাছের আমদানী বেশি খথাকার কথা থাকলেও বৈরী আবহাওয়ায় জেলেরা নদী/সাগরে যেতে পারছেনা। দুই একজন জেলে মাছ ধরতে গেলেও আসানুরুপ মাছ শিলছে না। ফলে মাছের বাজার কিছুটা চড়া।

যোগাযোগের ঠিকানা:

বাংলাদেশ বার্তা টুডে

৫৬, চানখারপুল লেন, নাজিমুদ্দিন রোড, বংশাল, ঢাকা-১১০০

ইমেইল: info@bangladeshbartatoday.com