বিশ্ববিদ্যালয়
নোবিপ্রবির আবাসিক হলে দিন-দুপুরে চুরি, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক উকিল হলের একটি আবাসিক কক্ষ থেকে ল্যাপটপ ও মোবাইল ফোন চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আবাসিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বুধবার (১৫ জুলাই) সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে হলের ৩২০ নম্বর কক্ষে এ চুরির ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, সকালে কক্ষে থাকা একটি ল্যাপটপ ও একটি মোবাইল ফোন খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে বিষয়টি হল প্রশাসনকে জানানো হয়। এদিকে, ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। ফুটেজে একজন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে দেখা গেলেও সংবাদ লেখা পর্যন্ত তার পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। হল প্রশাসন ফুটেজ বিশ্লেষণ করে অভিযুক্তকে শনাক্তের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানা গেছে। ঘটনার পর আবাসিক শিক্ষার্থীরা হলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, এ ধরনের ঘটনা শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি সৃষ্টি করছে। তাই দ্রুত চোরকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি হলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কার্যকর করার আহ্বান জানান তারা। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মুজতাবা ফয়সাল নাঈম বলেন, “আজ সকাল ৭টা ৪০ থেকে ৭টা ৫০ মিনিটের মধ্যে রুম থেকে আমার ল্যাপটপ ও রুমমেটের ফোন চুরি হয়ে গেছে। বিভিন্ন ক্যামেরায় দেখা যায়, চোর সকাল ৭টা থেকেই হলের বিভিন্ন ফ্লোর ঘুরে দেখে এরপর তৃতীয় তলায় আমাদের রুমে ঢোকে। মাথায় ক্যাপ ও মুখে মাস্ক পরা একজন বহিরাগত ব্যক্তি ৩০ থেকে ৪০ মিনিট ধরে হলে ঘুরে বেড়িয়েছে, অথচ কোনো নিরাপত্তা ছিল না। গেটে আনসার সদস্য ছিল না, সিসিটিভি ক্যামেরাও পর্যাপ্ত নয়।” তিনি আরও বলেন, “গত ৯টি সেমিস্টারের সব একাডেমিক ডকুমেন্ট, চলমান প্রজেক্ট ও গবেষণার বিভিন্ন ফাইল, ক্লাবের গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট, দুটি ম্যাগাজিনের সম্পাদিত লেখা, অসংখ্য ছবি, ভিডিও ও রেকর্ড ছিল ল্যাপটপে, যার অনেক কিছুরই কোনো ব্যাকআপ নেই। ল্যাপটপ উদ্ধার করা সম্ভব না হলে এগুলোর কোনোটিই ফিরে পাওয়া যাবে না। প্রশাসনের কী সীমাবদ্ধতা আছে, তা নিয়ে কথা বলছি না। ল্যাপটপের সঙ্গে এক মাস আগে কেনা একটি অফিসিয়াল ফোনও চুরি হয়েছে। তাই চাইলে ফোন ও ল্যাপটপ—দুটিই উদ্ধার করা সম্ভব। আশা করছি প্রশাসন সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে।” ভুক্তভোগী আরেক শিক্ষার্থী মাহমুদুল ইসলাম বলেন, “হলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা খুবই খারাপ। আনসার সদস্যরা ঠিকমতো দায়িত্ব পালন করেন না বললেই চলে। দিনের আলোতেই হল থেকে চুরির ঘটনা ঘটে, অথচ নিরাপত্তাকর্মীদের কোনো সাড়াশব্দ পাওয়া যায় না।” এ বিষয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক উকিল হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. আব্দুল কাইয়ুম মাসুদ বলেন, “চুরির ঘটনা সম্পর্কে অবগত হয়েছি। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা আমাদের কাছে অভিযোগ জমা দিয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে প্রক্টরের কাছে হস্তান্তর করেছি। তদন্তের সুবিধার্থে তাদের একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার পরামর্শ দিয়েছি। প্রক্টর মহোদয় আশা করি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।” এ বিষয়ে হল প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন শিক্ষার্থীদের বরণ অনুষ্ঠিত
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে নতুন টিএসসি ভবনের অডিটরিয়ামে প্রথমবারের মতো এই অনুষ্ঠান হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন। প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ। প্রধান অতিথি নতুন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, মেধা আর পরিশ্রম দিয়েই তারা ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। সবাইকে সমান চোখে দেখা উচিত এবং শুধু পড়াশোনা নয়, সহশিক্ষা কার্যক্রমেও দক্ষ হতে হবে। আগামী দুই বছরের মধ্যে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়কে ডিজিটাল করার পরিকল্পনার কথাও তিনি জানান। উপাচার্য বলেন, গবেষণার মাধ্যমে নতুন জ্ঞান তৈরি করাই বিশ্ববিদ্যালয়ের আসল লক্ষ্য হওয়া উচিত। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টিকে স্মার্ট বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তোলার কথা জানান এবং শিক্ষার্থীদের বলেন, ভর্তি হওয়া দিয়ে প্রতিযোগিতা শেষ হয়নি, বরং এখান থেকেই আসল যাত্রা শুরু। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. মাহাবুবুর রহমান। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ইতিহাস তুলে ধরে জানান, ২০০৫ সালে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পর মাত্র এক বছরের মধ্যেই ২০০৬ সালে এটি উদ্বোধন হয়। তিনি প্রতি বছর সমাবর্তন আয়োজনের আহ্বান জানান। স্বাগত বক্তব্য দেন ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন ও ওরিয়েন্টেশন উপ-কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. সাখাওয়াত হোসেন সরকার এবং অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন পরিচালক (ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা) ড. মো. আশরাফুল আলম। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।এসময় নতুন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করা হয় এবং তাদের ফোল্ডার, নোটবুক, কলম ও একাডেমিক ক্যালেন্ডার দেওয়া হয়।
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) ২৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর ও উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন, বেলুন উড্ডয়ন ও শান্তির প্রতীক পায়রা অবমুক্ত করার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। এদিন বিশ্ববিদ্যালয় দিবস-২০২৬ উপলক্ষে প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে আনন্দ র্যালি বের করে ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করা হয়। র্যালি শেষে আনন্দমুখর পরিবেশে প্রশাসনিক ভবন চত্বরে কেক কাটা ও মিষ্টি বিতরণ করা হয়। বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের টেনিস কোর্ট প্রাঙ্গণে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসন উদ্দিন শেখর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। এসময় তিনি বলেন, নানা ধরনের সীমাবদ্ধতা থাকার পরও আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম গতিশীল করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছি। আমরা দায়িত্ব নেয়ার পর শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি ও অ্যাওয়ার্ড প্রদানের ব্যবস্থা করেছি। প্রথমবারের মতো ডিনস কমপ্লেক্স চালু করেছি। সেই সাথে গবেষণাগার সমৃদ্ধিকরণ ও মেডিকেল সেন্টার সংস্কার করেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট মোকাবিলায় ইতোমধ্যে ২০ জন শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছি। আরো ৪৭ জন শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এবং শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আপগ্রেডেশন সম্পন্ন করা হয়েছে। সার্বিকভাবে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে আরো ১২০০ কোটি টাকার প্রজেক্ট পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছি। এসময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে সকলের সহায়তা কামনা করেন। সভাপতির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান বলেন, যাদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও অপরিসীম চেষ্টায় এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, তাদের অবদানকে আমি গভীরভাবে স্মরণ করছি। আমি প্রত্যাশা করছি, একদিন এই বিশ্ববিদ্যালয়টি শিক্ষা ও গবেষণার কেন্দ্র হিসেবে তৈরি হবে। সেজন্য আমাদের সকলকে বিভেদ ভুলে একত্রিত হয়ে কাজ করতে হবে। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে অনুষ্ঠানের শুরুতে সবাইকে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করে স্বাগত বক্তব্য দেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান। ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ময়নুল ইসলামের সঞ্চালনায় সভায় আরো বক্তব্য দেন মানবিকী অনুষদের ডিন সুকান্ত বিশ্বাস, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহান, কৃষি অনুষদের ডিন ড. জিলহাস আহমেদ জুয়েল ও রেজিস্ট্রার মো. এনামউজ্জামান। এদিকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে প্রশাসনিক ভবন ও প্রধান ফটকে আলোকসজ্জা করা হয়।
গবেষণার নতুন দিগন্ত উন্মোচনে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘গবেষণা সপ্তাহ–২০২৬ '
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণায় নতুন গতি আনতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্চ অ্যান্ড এক্সটেনশন সেন্টার আয়োজন করতে যাচ্ছে পাঁচদিনব্যাপী 'গবেষণা সপ্তাহ ২০২৬'। আগামী ২৮ জুন থেকে ২ জুলাই পর্যন্ত চলবে এই বিশেষ আয়োজন। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের গবেষণামুখী করে তোলা, গবেষণার মানোন্নয়ন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সুষ্ঠু ব্যবহার সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো — এই তিনটি লক্ষ্যকে সামনে রেখেই আয়োজনটি পরিকল্পনা করা হয়েছে। গত বুধবার (২৪ জুন) এক সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য ও রিসার্চ ম্যানেজমেন্ট বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন বলেন, গবেষণার উৎকর্ষ, উদ্ভাবন এবং জ্ঞানচর্চার ধারাবাহিকতাই একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৃত পরিচয় নির্ধারণ করে। তাঁর প্রত্যাশা, 'রিসার্চ উইক ২০২৬' বিশ্ববিদ্যালয়টিকে একটি পূর্ণমাত্রার গবেষণাসহায়ক প্রতিষ্ঠায় পরিণত করার পথে মাইলফলক হয়ে উঠবে। পাঁচদিনের এই আয়োজনে থাকছে একাধিক কর্মশালা ও সেমিনার। SPSS, Stata, NVivo এবং পাইথনভিত্তিক মেশিন লার্নিং বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেলের সহযোগিতায়। এর বাইরে বিদেশি বৃত্তি ও উচ্চশিক্ষার সুযোগ, একাডেমিক ও গবেষণা রাইটিং, আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশনার কৌশল এবং গবেষণায় AI-এর প্রয়োগ নিয়েও আলাদা সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। তরুণ গবেষকদের জন্য বিশেষভাবে রাখা হয়েছে 'রিসার্চ আইডিয়া কম্পিটিশন' এবং একটি অনলাইন সেশন। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৩তম সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রিসার্চ অ্যান্ড এক্সটেনশন সেন্টারের যাত্রা শুরু হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে কেন্দ্রটি এখন পর্যন্ত প্রায় ১৬ কোটি ৬১ লক্ষ টাকা অর্থায়নে ৯৫৩টি গবেষণা প্রকল্প পরিচালনা করেছে এবং সেসব গবেষণার ফলাফল দেশি-বিদেশি বিভিন্ন স্বনামধন্য জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। অংশগ্রহণে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের ২৪ জুন রাত ৯টা থেকে চালু হওয়া গুগল ফর্মে নিবন্ধন করতে হবে। অফলাইন সেমিনারে আসন মাত্র ৮০টি, তাই প্রথমে আসলে আগে সুযোগ পাওয়া যাবে। তবে শিক্ষকদের জন্য আলাদা কোনো নিবন্ধনের প্রয়োজন নেই।